Sunday, May 31, 2015
চেয়ারে বসে নামাজ আদায় বিষয়ে ইফার সমাধান
অবশেষে মহাসচিব হচ্ছেন মির্জা ফখরুল
মেয়েরা জিনস প্যান্ট পড়ছে, তাই এত ভূমিকম্প হচ্ছে
যৌন সুখে পুতুলের সঙ্গে ১৫ বছরের সংসার যুবকের(ভিডিও)
ডিজাস্টার ইন নেপাল! আসছে ডিসকভারিতে
গত ২৫ এপ্রিলের ভয়াবহ ভূমিকম্পে কার্যত বিধ্বস্ত নেপাল। পরে ১২ মে আরও একদফা জোরাল কম্পন অনুভূত হয় পাহাড়ি এই দেশে। এছাড়াও একের পর এর পরবর্তী কম্পন আতঙ্ক ধরিয়েছে সেদেশে। এবার নেপালের ভূমিকম্প নিয়ে দু-দুটি তথ্যচিত্র তৈরি হয়েছে। দুটি চ্যানেলে দেখা যাবে ওই দুই তথ্যচিত্র। ভূমিকম্পের কারণ ও দুর্গতদের মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা নিয়েই ওই দুটি তথ্যচিত্র।
প্রথম তথ্যচিত্র ‘আর্থকোয়েক: ডিজাস্টার ইন নেপাল’। এতে ২৫ এপ্রিল ও ১২ মে-র ভূমিকম্পের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে।আগামী ৮ জুন ডিসকভারি চ্যানেলে ১ ঘন্টার ওই তথ্যচিত্র সম্প্রচারিত হবে। ওই দুটি ভূকম্পে প্রায় আট হাজার মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। মারা গিয়েছেন ১৮ জন পর্বতারোহীও। এভারেস্টের বেসক্যাম্পে তুষার ধসে প্রাণ হারিয়েছেন তাঁরা। কাঠমাণ্ডুর বহু ঐতিহাসিক সৌধ, ভবন ভেঙে পড়েছে। গুড়িয়ে গিয়েছে হাজার হাজার ঘরবাড়ি।
ডিসকভারি চ্যানেলের দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিভাগের পদস্থ আধিকারিক রাহুল জোহরি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের ভয়াল রূপ দর্শকদের সামনে তুলে ধরবে ওই তথ্যচিত্র। মানব সমাজের অন্যতম মর্মান্তিক বিপর্যয় নেপালের ভূমিকম্প। তথ্যচিত্রে ধ্বংসলীলা থেকে শুরু করে ভূমিকম্পের বিজ্ঞানসম্মত কারণের ব্যাখ্যা এবং দুর্গতদের ব্যক্তিগত অনুভূতি তুলে ধরা হয়েছে।
তথ্যচিত্রে ভূ-বিশারদদের সাক্ষাত্কার ছাড়াও কাঠমাণ্ডুতে উদ্ধার কাজের ফুটেজ, বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখা যাবে। এছাড়া এধরনের বিপর্যয়ের আগাম পূর্বাভাসের সম্ভাবনা সংক্রান্ত গবেষণার বিস্তারিতও থাকছে তথ্যচিত্রে।
ভূমিকম্পের বেশ কয়েকদিন পরও ধ্বংসস্তুপ থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল কয়েকজনকে। তাদের মধ্যে রয়েছে এক সদ্যজাতও। ২২ ঘন্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়। তথ্যচিত্রে থাকছে ওই শিশুর মায়ের অভিজ্ঞতার কথাও। তিনি জানিয়েছেন তাঁর উত্কন্ঠিত প্রতীক্ষার কথা। দরবার স্কোয়ারের একটি বহুতলের ধ্বংসস্তুপে কয়েকদিন পর উদ্ধার করা হয়েছিল এই ছাত্রকে। সে-ও জানিয়েছে, তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা। এভারেস্টের বেসক্যাম্পে তুষার ধসে মৃত্যুর মুখে পড়েছিলেন এক নববিবাহিত দম্পতি। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতার কথা জানা যাবে তাঁদের মুখ থেকেও।তথ্যচিত্রে ভারতীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যুক্তদের বক্তব্যও শোনা যাবে।
ডিসকভারির পাশাপাশি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলেও আগামী ১১ জুন সম্প্রচারিত হবে তথ্যচিত্র- ‘ট্র্যাপড ইন নেপাল’।
প্রখ্যাত পরিচালক-প্রযোজক ডিক বোয়েরের ওই তথ্যচিত্রেও দুর্গতদের মর্মস্পর্শী অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ভূমিকম্পের পূর্বাভাস সম্পর্কে সাম্প্রতিক গবেষণার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রেম নগরীর,প্রেম সেতুর, প্রেমের তালা এভার খুলবে
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি সেতুর রেলিং-এ প্রেমিক-প্রেমিকারা তাদের ভালবাসার প্রতীক হিসেবে যেসব লক্ষ লক্ষ তালা ঝুলিয়েছিল, কর্তৃপক্ষ সেগুলো খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সাইন নদীর উপর ‘পঁ দে আর্টস’ সেতুতে ‘প্রেম তালা’ লাগিয়ে চাবি নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া পর্যটকদের মধ্যে এক ধরনের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।
প্যারিস বিশ্বব্যাপী ‘প্রেমের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত।
কিন্তু রেলিং-এ লাগানো এই লক্ষ লক্ষ তালার ওজনের চাপে সেতুর একটি অংশ গত বছর দেবে যায়।
নগর কর্তৃপক্ষ বলেছে, তালাগুলো নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং সেজন্য সোমবার থেকে সেগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।
আর কয়েকদিন পরেই সব তালা খুলে ফেলা হবে, কিন্তু তা সত্ত্বেও এক যুগল তালা লাগাচ্ছেন।
কর্মকর্তারা অনুমান করছেন প্রায় দশ লক্ষ তালা, যাদের মোট ওজন ৪৫ টনের মত, খুলো ফেলা হবে।
প্যারিসের বিখ্যাত নতরে ডেম গির্জার কাছে আরেকটি সেতু থেকেও হাজার হাজার তালা সরিয়ে নেয়া হবে।
প্যারিসের ডেপুটি মেয়র বলেন প্রেমিক-প্রেমিকরা যাতে তাদের ভালবাসা অন্য ভাবে প্রকাশ করতে পারে সে ব্যাপারে তারা উদ্যোগ নেবেন।
“আমরা প্যারিসকে প্রেমের বিশ্ব রাজধানী হিসেবেই রাখতে চাই”, তিনি বলেন।
গত বছর কর্তৃপক্ষ প্রেমিকদের সেতুতে তালা না লাগিয়ে ‘সেলফি’ তুলতে আগ্রহী করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।
দু’শো বছরের পুরোনো ‘পঁ দে আর্টস’ সেতুর রেলিং-এ প্রথমে বিভিন্ন চিত্রকর্ম দিয়ে ঢেকে রাখা হবে। পরে সেখানে স্থায়ী প্যানেল বসানো হবে।
Saturday, May 30, 2015
অবিশ্বাস্য ,এক ডিম দিয়ে বিশাল মসজিদ নির্মাণ!
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি! মহতি চিন্তা করলে বা উদ্যোগ নিলে কোন প্রতিবন্ধকতাই বাধা মনে হয় না। মাত্র একটি ডিম (স্থানীয় ভাষায় এন্ডা) থেকেই নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় একটি মসজিদের। আজ যা বাস্তব সত্যি যে বিশাল একটি মসজিদে শত শত মুসল্লী কায়মনো বাক্যে উপাসনা করছেন। ‘ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়’ এই চিরন্তন বাক্যটি আজ বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হবিগঞ্জ জেলা থেকে প্রায় ৭৫ কি.মি. দূরে নিভৃত্য পল্লীতে। এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন এক মহিয়ষী নারী। স্বামীর অঢেল সম্পদ থাকলেও শুধু নিয়ত (মানত) করার কারণে একক প্রচেষ্টায় তিল তিল করে গড়ে তোলেন এই মসজিদ।
আজ থেকে ১১৩ বছর আগে জনৈক বেঙ্গির মার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নির্মিত হয়েছিল মসজিদটি। ‘ছোট ছোট বালু কণা/বিন্দু বিন্দু জল/গড়ে তুলে মাহাদেশ/ সাগর অতল’ কবিতাটির মতো করে দাঁড় করিয়েছেন মসজিদটি। ফলে তার নামে মসজিদটির নামকরণ অর্থাৎ বেঙ্গির মায়ের মসজিদ। শত বর্ষ পরেও আজ মসজিদের অভ্যন্তরে নিয়ন বাতিতে জ্বল জ্বল করে জ্বলছে ‘প্রজাতপুর ও লালাপুর জামে মসজিদ/প্রতিষ্ঠাতা বেঙ্গির মা’। শুধু নিয়ন বাতি কেন এলাকাবাসীর অন্তরে যা আজো তার নাম উজ্জ্বলতর তারকা হয়ে আছেন তিনি।
অজপাড়া গাঁওয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন বেঙ্গির মা। বেঙ্গির মা একটি মহৎ উদ্যোগ নিয়ে এক এন্ডা (ডিম) থেকেই গড়ে তুলেছেন একটি মসজিদ। এলাকাবাসী নাম দিয়েছেন এক এন্ডার মসজিদ। মসজিদটির নাম এখন সবার মুখে। এক এন্ডা থেকে কিভাবে এক মসজিদ সে কথা শুনলে সবাই অবাক হন।
জানা যায় ১৯০২ সালে (১৩০৭ বঙ্গাব্দ) প্রজাতপুর গ্রামের তৎকালীন সরফ উল্লার স্ত্রী বেঙ্গির মা প্রজাতপুর ও লালপুর দুটি গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদ নির্মাণের শেষে এলাকাবাসীকে জড়িত করে মসজিদটির নামকরণ করেন ‘এক এন্ডা (ডিম)র মসজিদ’। তখন মসজিদের নামকরণ নিয়ে জনতার মধ্যে প্রশ্ন জাগলে তিনি ঘটনাটি খুলে বলেন। বেঙ্গির মা এলাকাবাসীকে জানান তিনি একটি মুরগীর ডিম মসজিদের নামে মানত করে রাখেন। ঐ ডিমটি থেকে মুরগীর উঠলে দিলে তা থেকে একটি বাচ্চার জন্ম হয়। পরবর্তীতে ঐ বাচ্চাটি বড় হলে তা থেকে আরো সাতটি ডিম হয়। পরবর্তীতে ঐ সাতটি ডিম থেকে সাতটি বাচ্চার জন্ম হয়। এভাবে এক পর্যায়ে মুরগীর খামার গড়ে তুলেন। ঐ খামারের মুরগী বিক্রি করে বেঙ্গির মা টাকা জমাতে থাকেন। তৎকালীন সময়ে তিনি এক লাখ টাকা জমা করে মসজিদটি তার স্বামীর মাধ্যমে নির্মাণ করে দেন। বেঙ্গির মা ছিলেন নিঃসন্তান। ঘটনা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পরে মসজিদটির নাম সর্বত্র ছড়িয়ে পরে। মসজিদ নির্মাণের শত বছর অতিবাহিত হলেও এখন এ কাহিনী সবার মুখে মুখে।
অনেকেই মনে করেন একটি এন্ডা (ডিম) থেকে একটি মসজিদ নির্মাণের ঘটনা ইতিহাসে এই প্রথম। তাও আবার একজন মহিলা কর্তৃক মসজিদ নির্মাণ সবাইকে অবাক করেছে। প্রজাতপুর ও লালপুর গ্রামবাসী ২০০৯ সালে মসজিদটির বর্ধিত অংশ সংস্কার করেছেন। কিন্তু বেঙ্গির মার মুল মসজিদটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে। গত বছরে মসজিদটি নতুন করে রং করা হয়েছে।
প্রজাতপুর গ্রামের প্রবীণ উলফর উল্লা বলেন আমাদের গ্রামের বেঙ্গির মা এমন একটি কাজ করেছেন, যা সারাজীবনেও ভোলার মত নয়। আমি বেঙ্গির মার কাছ থেকে শুনেছিলাম তিনি একটি ডিম থেকে একটি মুরগীর খামার গড়ে তুলেছিলেন। ঐ খামারের একটি টাকাও তার সংসারের কাজে ব্যয় করেন নি। সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেন। মানুষটি (বেঙ্গির মা) মরে গেলেও এখনও সবাই তার কথা আলোচনা করে। এটা বিশ্বের নজীর হয়ে থাকবে।
মসজিদটি পরিচালনায় কমিটিতে যারা রয়েছেন তারা হলেন, বেঙ্গির মার বংশধর রউপ উদ্দিন সভাপতি, লন্ডন প্রবাসী আব্দুল হারিছ মোতাওয়াল্লী, ব্যবসায়ী হেলিম উদ্দিন ক্যাশিয়ার, সদস্য রাকিল হোসেন ও শামীনুর মিয়া প্রমুখ।
বাংলার গর্ব ।। ইংলিশ প্রিমিয়ার ফুটবলে বাংলাদেশি কোচ!
এসএসসির রেজাল্ট জানবেন যেভাবে
বাপ কা বেটা।। দুষ্টুমিষ্টি ভঙ্গিমায় শাহরুখপুত্র সুপারহিট!
Friday, May 29, 2015
বলিপার্টির অন্দরমহলের রুপ
Thursday, May 28, 2015
চোখ বুজে পছন্দ করুন বিশ্বের সেরা দশ সুন্দরী কোটিপতির একজনকে
দিদি’র পাতে ইলিশ থাকবেনা তা কি হয়? মমতা দিদি আসছেন
অবশেষে জল্পনার অবসান! নরেন্দ্র মোদীর সফরসঙ্গী হতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে কানাঘুসো শোনা যাচ্ছিল, মোদীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন না। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ খবর মেলে, আগামী ৬জুন তারা পরস্পরের সঙ্গী হচ্ছেন। আশা করা হচ্ছে, এই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও মজুবত হবে।
শেখ হাসিনা, নরেন্দ্র মোদী এবং সেই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তিন ভিভিআইপির উপস্থিতিতে স্থলসীমান্ত চুক্তি পূর্ণ রূপ নেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য মাঝখানে ঢাকা ঘুরে এসেছেন।
স্থলসীমান্ত চুক্তির জমি আরও শক্ত হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উত্তরবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শনের মধ্যে দিয়ে। সেইবার অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন না। তবু তিনিই যে এই চুক্তির সেতু হিসাবে কাজ করছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
চলুন শুধু খুঁটির উপর দাঁড়িয়ে থাকা শান্তির গ্রামে..
ইটালির ভেনিসের কথা কে না জানে! পানির উপর যেন পুরো একটি শহর দাঁড়িয়ে আছে৷ ঘানাতে এনজুলেজো নামে এমন একটি গ্রাম আছে যেখানকার ঘরবাড়ি, স্কুল থেকে শুরু করে টয়লেট, মন্দির সবই খুঁটির সহায়তায় টানডানে লেকের পানির উপর অবস্থান করছে৷ তাই তো মাঝেমধ্যেই তাকে ‘ঘানার ভেনিস’ নামে ডাকা হয়৷ রাজধানী আক্রা থেকে প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই গ্রামে প্রায় ৫০০ লোক বাস করে৷
ইউনেস্কো-তে নাম পাঠানো হয়েছে
এনজুলেজোর নাম বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ওঠাতে নাম প্রস্তাব করেছে ঘানা৷ প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এনজুলেজোতে মানুষ আর পরিবেশ যেন একে অন্যের সঙ্গে একেবারে মিশে আছে৷ সেখানকার ইকোসিস্টেম এখনও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক অবস্থায় আছে৷ এছাড়া এলাকায় বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি, বানর, কুমির আর কচ্ছপের দেখা পাওয়া যায়৷
মালি থেকে আসা
প্রচলিত কিংবদন্তি অনুযায়ী, এনজুলেজোর বর্তমান বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষদের বাস ছিল বর্তমানে আফ্রিকার আরেকটি দেশ মালিতে৷ পঞ্চদশ শতকে সেখানকার মানডে সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হওয়ায় তাদের পালাতে হয়েছিল৷ সেই থেকে তাদের বিভিন্ন জায়গায় সাময়িকভাবে বসতি গড়তে হয়েছে এবং মাঝেমধ্যেই উৎখাতের শিকার হতে হয়েছে৷
মালি থেকে পালানোর পর বিভিন্ন জায়গা ঘুরে অবশেষে বর্তমান স্থানে তারা নিরাপদভাবে বসতি স্থাপন করতে সমর্থ হয়েছে৷ টানডানে লেকের উপর বসবাসের কারণে তারা মনে করছে এই লেকই তাদের শত্রু ও আগুনের হাত থেকে রক্ষা করবে৷ এছাড়া তাদের জীবিকারও উৎস হয়ে উঠবে এই লেক৷
লেকই যেহেতু তাদের বাঁচাচ্ছে বলে মনে করছে এনজুলেজোর মানুষ, সেই থেকে তারা পানিকে দেবতা মেনে নিয়ে তার পূজা করে৷ ছবিতে যে ঘরটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি একটি মন্দির৷ পানি দেবতাকে সম্মান জানাতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে৷ মঙ্গলবার সেখানে পবিত্র দিন হিসেবে পালিত হয়৷ নারীদের যাদের রজঃস্রাব হয়েছে তারা সেদিন পানিতে নামতে পারে না৷
আধুনিক গ্রাম
এনজুলেজো গ্রামে বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে৷ আছে স্যাটেলাইট টিভি আর মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক৷ বিদেশি এক তেল কোম্পানির সহযোগিতায় আছে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা৷ গ্রামের প্রতিটি বাড়ি কাঠ দিয়ে তৈরি রাস্তা দিয়ে সংযুক্ত৷ প্রতিটি পরিবারের রয়েছে নিজস্ব রাস্তা৷
আগুন থেকে সাবধান
এনজুলেজোর বাড়ির মেঝেগুলো কাঠ দিয়ে তৈরি হওয়ায় সেগুলোতে আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে৷ তাই রান্নার কাজে কাদামাটি দিয়ে তৈরি চুলা ব্যবহার করা হয়৷
উর্বর জমি
এনজুলেজো গ্রামের পাশে থাকা দুই হেক্টর জমিতে চাষবাস করে থাকে সেখানকার মানুষ৷ উৎপাদিত পণ্য মূলত নিজেরাই ভোগ করে থাকে৷ কিছু যা উদ্বৃত্ত থাকে সেগুলো ছয় কিলোমিটার দূরের বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়৷ ছবিতে বাবা ও ছেলেকে জমিতে চাষের কাজে যেতে দেখা যাচ্ছে৷
ইউরোপীয়দের নজর
যে বাড়িটি দেখতে পাচ্ছেন সেটির মালিক স্প্যানিশ এক দম্পতি৷ এনজুলেজোর সৌন্দর্য্যে মোহিত হয়ে অনেক বছর আগে সেখানে গিয়ে বসবাস শুরু করেন তারা৷ বর্তমানে তারা একটি রেস্টুরেন্ট চালাচ্ছেন৷ অনেক ইউরোপীয় এখন সেখানে যান ঘুরতে৷
‘থ্রি জিরো থিওরি’ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
মহা বিভৎস এক চিত্র দেখল স্টুপিড সভ্য বিশ্ব
যে শিশুদের দেখলে স্বগীয় কোন চিত্র চোখে ফুটে েউটে,যখন কোন শিশু হাসে তখন হয়ত বেহেশতের কোন এক কাননে কোন এক নাম না জানা ফুল ফুটে। যারা বিধাতার অপার রহস্য নিয়ে পৃথিবীতে আসে সেই শিশুদের আমরা সভ্য জগতের সভ্য মানুষেরা নরক খেলায় মত্ত হতে একটুও বুক কাঁপেনা।
ভয়ানক ছবি, একটি উলঙ্গ শিশুকে শিকল দিয়ে টানা হচ্ছে। একটি প্লাস্টিকের বাটিতে কিছু খাবার রাখা আছে এবং সেই বাটি থেকে এক বছরের একটি শিশু হামাগুড়ি দিয়ে খাবার খাচ্ছে এবং তার গলায় একটি শিকল বাঁধা। এমনকিছু ছবি পোস্ট করা হয়েছে ফেইসবুকে। এই পোস্ট যারা দেখেছেন সবাই এমন ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ করেছে এবং নেতিবাচক কমেন্টও করেছেন।
ফিলিপাইনে লুজোন দ্বীপে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটি এখন সোশ্যাল ওয়ার্কারদের তত্ত্বাবধানে আছে।
কারও শিশুদের সাথে এমন ঘৃণ্য ব্যবহার করার অধিকার নেই, বলেন সমাজকর্মী কোরানো জুলিয়ানো সলিমন। যে বা যারা এমন কাজ করে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া উচিত।
মেরিলিন টির্গাস বলেন, তারা এটি মজা ভেবে করেছে কিন্তু তা নিয়ে এমন প্রতিক্রিয়া হবে তা তারা বুঝতে পারেনি।
শিশুরা আমাদের জন্য উপহার এবং আমাদের তাদের যতœ নেয়া উচিত। একটি রিপোর্টে জানা যায়, এই শিশুটির মা একজন গৃহিনী, বাবা একজন সরকারি কর্মচারি এবং তার দাদি একটি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
লুরলেন হিলিয়াড ৪৬, একজন শিশু অধিকার কর্মী। এই ঘৃণ্যকর্মকান্ডের নিন্দা করেন তিনি। তিনি বলেন,- ‘যদি আমরা নিজেদের ফেইসবুকের প্রচরণার জন্য শিশুদের সাথে এমন ঘৃণ্য কর্মকান্ড করি তা খুব লজ্জাজনক।’
আমেরিকা ধ্বংসের ভবিষ্যৎ বাণী ফলে যাচ্ছে ।। পানির নিচে হিউস্টোন; আমেরিকা ও মেক্সিকোয় নিহত ২৮
Wednesday, May 27, 2015
রিয়েল “রাবারম্যান”
কাঁধের চাপে থরে-থরে সিডি ভেঙে নজির গড়লেন রামমেহর পুনিয়া! শুধু কাঁধ দিয়ে, হাতের কোনও ভূমিকাই ছিল না৷ এক মিনিটে ভেঙে ফেললেন ৬০টি সিডি৷ তাতে গিনেসে নাম তো তুললেনই, সঙ্গে ‘রাবারম্যান’-এর শিরোপাও জুটল পানিপথের বছর ৩৫-এর কৃষকের৷
নিজের বিরল প্রতিভা দেখাতে ২০১১-এ প্রথম গিনেসের নজর কেড়েছিলেন রামমেহর৷ সেবার ৪১টি সিডি ভেঙেছিলেন৷ নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙলেন এবার৷ রাবারম্যান এতই নমনীয় যে বাঁ হাত গলায় পেঁচিয়ে নিজের বাঁ কানও ধরতে পারেন!
প্রথম 'রূপান্তরিত' কলেজ অধ্যক্ষা, মানবী বন্দ্যোপাধ্যায়
ভারতে এই প্রথম কোনও 'রূপান্তরিত' ব্যক্তি কলেজের প্রধানের দায়িত্বে এলেন। আর সেই খবরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে চতুর্দিকে। আর যিনি এই দায়িত্ব নিয়েছেন সেই মানবী বন্দ্যোপাধ্যায়ও এখন খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। আগামী ৯ জুন থেকে অধ্যক্ষা হিসাবে কৃষ্ণনগর মহিলা কলেজের দায়িত্বভার নিজের কাঁধেই তুলে নেবেন মানবী। মানবীকে অধ্যক্ষা করার সিদ্ধান্তকে খোলা মনেই স্বীকার করেছে বিভিন্ন মহল। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তটি কলেজ সার্ভিস কমিশনের। আমরা এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করিনি।
#otiti2354
আমরা যে খোলা মনের তা ওরা জানে। এই সিদ্ধান্তে আমরা খুশি। মঙ্গলবারদিনই কৃষ্ণনগরে ওয়মেন্স কলেজে যান মানবী। সেই একইভাবে কোঁকড়া চুলকে গুচ্ছ করে বাঁধা, প্লিট করা শাড়ি। কানে বড় দুল, চোখে রোদচশমা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর দত্তক নেওয়া ছেলে দেবাশিস মানবীপুত্র ও আর এক রূপান্তরকামী বান্ধবী। মানবীর কথায়, আমার নতুন সহকর্মীরা হয়তো আমায় দেখেছেন টেলিভিশনের পর্দায়, আমার বিষয়ে অনেক কিছু জেনেছেন। কিন্তু আমি ফোনে তাদের গলা শুনেছি মাত্র। তাই চেয়েছিলাম কলেজের দায়িত্ব নেওয়ার আগে একবার ব্যক্তিগতভাবে সবার সঙ্গে দেখা করি। মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব নেওয়ায় খুশি কলেজের বিভিন্ন বিষয়ের অধ্যাপকরাও।
ভুগোলের অধ্যাপক জয়শ্রী মণ্ডলের কথায়, 'মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারিনী। অনেক চড়াই উতরাই দেখেছেন। তাঁর সময়ে কলেজের উন্নতি হবে বলেই আমাদের ধারনা।' রূপান্তরকামীদের অধিকার নিয়ে বহুবার সরব হয়েছেন মানবী। সমাজের মানসিকতার খুব ধীর গতিতে পরিবর্তন হলেও এখনও অনেক পথ চলার বাকি বলেই ধারণা কৃষ্ণনগর কলেজে সদ্য নিযুক্ত হওয়া এই অধ্যক্ষার। মানবীর কথায়, "এখনও অনেক অভিভাবকই মনে করে এটা মানসিক সমস্যা। কিছুদিন আগেই বর্ধমানের একটি ছেলে মা-বাবার দেওয়া চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন। কারণ সে রূপান্তরকামী বলে তার মা-বাবা চেয়েছিল মানসিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে।"
"আবার এমনও অনেকে পুরুষ আছেন, যাঁরা এই দিক থেকে মা-বাবার সমর্থন পাননি। এদিকে তাদের মত ছাড়া অস্ত্রোপচার করাতেও চান না। তাঁরা জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেট বা গুলি খান যাতে এই ওষুধের উচ্চমাত্রার এস্ট্রোজেনের সাহায্যে নিজেকে মহিলা হিসাবে ভাবতে পারেন তাঁরা। কিন্তু তাঁরা বুঝতে পারে না এই ওষুধে সাময়িক শান্তি দিলেও আদতে তা ক্ষতিই করছে তাঁদের।" জানালেন মানবী।
বিয়ে! কার? ক্রিস গেইলের
টুইটার কিংবা ফেসবুক, সারাক্ষণই মজার মজার ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় ক্রিস গেইলকে। কখনও পানশালায় কোনো বান্ধবীকে নিয়ে, কখনও বা দামি গাড়িতে- গেইলের ছবিগুলো দেখে বোঝা মুশকিল, তার সত্যিকারের বান্ধবী কে? এহেন গেইলই কি না শেষ পর্যন্ত বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আগামী মাসেই জ্যামাইকার কিংসটাউনে তার বিয়ে। পাত্রী কে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে তার বিয়ের খবরটা প্রথম দিয়েছেন আইপিএলে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর উঠতি তারকা শরফরাজ খান। গেইলের সঙ্গে তার ভীষণ বন্ধুত্ব হয়েছে আইপিএলের সময়।
আর দেশে ফেরার আগে নাকি গেইল তাকে বিয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে গেছেন। শরফরাজ খান বলেন, ‘দারুণ সময় কেটেছে গেইলের সঙ্গে।
সে আমার স্বাস্থ্য নিয়ে প্রায়ই মজা করত। যখন কোনো মোটা মানুষ দেখত আমার দিকে তাকিয়ে বলতো ওনার মতো হইও না। সে আমাকে মিস্টার পান্ডা বলে ডাকত। মিষ্টি একেবারেই খেতে দিত না। যাওয়ার আগে সে বলে গেছে, আগামী মাসে জ্যমাইকায় তার বিয়ে। বিয়েতে যেতে বলেছে আমাকে।’
Subscribe to:
Comments
(
Atom
)






























