হিরো আলমকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে ‘লিটল বিগ ফিল্মস'৷ ৫ সেপ্টেম্বর সেটি তাদের ফেসবুক পাতায় শেয়ার করা হয়৷ কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পুত্র নুহাশ হুমায়ূন এটি নির্মাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তথ্যচিত্রের ধারাবর্ণনা তিনি নিজেই দিয়েছেন৷ তথ্যচিত্রটি ফেসবুকে এখন পর্যন্ত দুই লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশিবার দেখা হয়েছে৷ তথ্যচিত্রে হিরো আলমকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার প্রশংসা করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকেই৷ সুতরাং আপনিও দেখুন৷
FACEBOOK
YOUTUBE CHENNEL
Sunday, September 18, 2016
বাংলার সালমান খান ‘হিরো' আলম
হিরো আলমকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে ‘লিটল বিগ ফিল্মস'৷ ৫ সেপ্টেম্বর সেটি তাদের ফেসবুক পাতায় শেয়ার করা হয়৷ কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পুত্র নুহাশ হুমায়ূন এটি নির্মাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তথ্যচিত্রের ধারাবর্ণনা তিনি নিজেই দিয়েছেন৷ তথ্যচিত্রটি ফেসবুকে এখন পর্যন্ত দুই লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশিবার দেখা হয়েছে৷ তথ্যচিত্রে হিরো আলমকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার প্রশংসা করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকেই৷ সুতরাং আপনিও দেখুন৷
FACEBOOK
YOUTUBE CHENNEL
Thursday, September 8, 2016
প্রাণীর হাতে আক্রান্ত হয়েছিল যে শহরগুলো
উটের আক্রমণে ডোকার নদী, অস্ট্রেলিয়া
অনেক আগে অস্ট্রেলিয়ার মরু অঞ্চলে চলাচলের জন্য উট ব্যবহার হয়ে আসছিল। কিন্তু পরবর্তীতে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতির ফলে উটগুলোর আর তেমন যতœ হয় না। তাই হয়ত ওরা ২০০৯ সালে এসে বিদ্রোহী হয়েছিল পানি পিপাসার জন্য। হঠাৎ করে হাজার হাজার উট এসে ডোকার নদী দখল করে নেয়। সরকার পরিস্থিতি শান্ত করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে কাজে লাগায় এবং সেসময় অনেক উট আহত হয়।
সাপের দখলে ইজিসু শহর, ঘানা
ঘানার ইজিসু শহরের দু’টি গ্রাম বিষধর কালো সাপের দখলে যায় এ বছরেরই এপ্রিল মাসে। জঙ্গলে ভরা গ্রামে ঢুকতে গেলেই দেখা মিলত হাজার রকমের সাপের। বাসার ভিতরে বিভিন্ন ঘরে ও বাথরুমে ঢুকলেও দেখা যায় সাপের বসবাস। স্থানীয় জনগণ একে ঈশ্বরের অভিশাপ বলে উল্লেখ করে বলেন, যুবক-যুবতীরা ঝোপ-ঝাড়ের আশেপাশেই অবৈধ শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হয়, তাই ঈশ্বর রাগ করে সাপ পাঠিয়ে দিয়েছেন।
ব্যাঙের আক্রমণ, যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের অকন্টো শহর ১৯৫২ সালে ব্যাঙের দখলে চলে যায়। কোটি কোটি ব্যাঙ এসে রাস্তাঘাট দখল করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডাক শুরু করে। গাড়ি চলার সময় চাকার নিচে পড়ে পটাপট শব্দে হাজার হাজার ব্যাঙ মারাও যায়। শহরবাসীর অধিকাংশই শহর ছেড়ে চলে গেলে কর্তৃপক্ষ ব্যাঙ তাড়ানোর ব্যবস্থা করে।
MY YOUTUBE CHENNEL
Subscribe to:
Comments
(
Atom
)