woman enpowerment। এই ট্রেন্ডের ওপর বর্তমানে একের পর এক ছবি তৈরি হচ্ছে। দঙ্গলের ট্রেলার মুক্তি পেতেই উচ্ছসিত দর্শক। মহাবীর সিং ভোগত আর তাঁর দুই কন্যার বাস্তব গল্প থেকে বানানো ছবি নিয়ে আগ্রহ প্রথম থেকেই। পর পর মেয়ে হওয়ায় কুস্তিগীর হওয়ার স্বপ্নটা তাকে তুলে রাখতে হয়। ততদিন, যতদিন না প্রতিবেশীর দুই ছেলেকে পিটিয়ে গীতা-ববিতা প্রমাণ করেন, সোনা সোনা ই হয় ছেলে আনুক বা মেয়ে। সলমনের সুলতান এই বিষয়ের ওপর হলেও ছবির স্টোরিলাইনে কিন্তু আরফা নয় শেষমেষ হিরো হন সুলতান সলমনই। সক্রিয় কুস্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও নেশা পেশাকে সাইডলাইন করতে হয় বিয়ের পর। কুস্তিগীর সাক্ষী মালিক এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সল্লুভাইয়ের কাছে। কেন তিনি ছবিতে এমনটা দেখিয়েছেন। সদূত্তর মেলেনি।
তবে এই স্বাদেরই কি একটু বদল হবে আপকামিং ছবি দঙ্গলে? বাবার স্বপ্নপূরণ করবে দুই মেয়ে? মাসেল পাওয়ারেও পুরুষের সমান হতে পারে নারীরা। এই বার্তাই আন্দাজ করা যায় ছবির ঝলক দেখে। নিতেশ তিওয়ারীর গল্পের ফোকাসে ফোগতের দুই মেয়ে, যা পর্দায় ফুটিয়েছেন ফতিমা সানা শেখ ও সানিয়া মলহোত্রা। একে আমির খান, তার ওপর এই স্পোর্টস ড্রামায় একবার ওজন বাড়ানো একবার কমানো, যা করতে গিয়ে অসুস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা। সবনিয়ে দঙ্গল প্রথম থেকেই খবরে ছিল। তবে এবার ছবির ট্রেলার মুগ্ধ করেছে ফ্যানেদের। প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিল দ্বিগুণ।
MY FACEBOOK
MY YOUTUBE
দঙ্গলের ট্রেলারটা
Saturday, October 22, 2016
দঙ্গলের ট্রেলারটা দেখেছেন?
woman enpowerment। এই ট্রেন্ডের ওপর বর্তমানে একের পর এক ছবি তৈরি হচ্ছে। দঙ্গলের ট্রেলার মুক্তি পেতেই উচ্ছসিত দর্শক। মহাবীর সিং ভোগত আর তাঁর দুই কন্যার বাস্তব গল্প থেকে বানানো ছবি নিয়ে আগ্রহ প্রথম থেকেই। পর পর মেয়ে হওয়ায় কুস্তিগীর হওয়ার স্বপ্নটা তাকে তুলে রাখতে হয়। ততদিন, যতদিন না প্রতিবেশীর দুই ছেলেকে পিটিয়ে গীতা-ববিতা প্রমাণ করেন, সোনা সোনা ই হয় ছেলে আনুক বা মেয়ে। সলমনের সুলতান এই বিষয়ের ওপর হলেও ছবির স্টোরিলাইনে কিন্তু আরফা নয় শেষমেষ হিরো হন সুলতান সলমনই। সক্রিয় কুস্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও নেশা পেশাকে সাইডলাইন করতে হয় বিয়ের পর। কুস্তিগীর সাক্ষী মালিক এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সল্লুভাইয়ের কাছে। কেন তিনি ছবিতে এমনটা দেখিয়েছেন। সদূত্তর মেলেনি।
তবে এই স্বাদেরই কি একটু বদল হবে আপকামিং ছবি দঙ্গলে? বাবার স্বপ্নপূরণ করবে দুই মেয়ে? মাসেল পাওয়ারেও পুরুষের সমান হতে পারে নারীরা। এই বার্তাই আন্দাজ করা যায় ছবির ঝলক দেখে। নিতেশ তিওয়ারীর গল্পের ফোকাসে ফোগতের দুই মেয়ে, যা পর্দায় ফুটিয়েছেন ফতিমা সানা শেখ ও সানিয়া মলহোত্রা। একে আমির খান, তার ওপর এই স্পোর্টস ড্রামায় একবার ওজন বাড়ানো একবার কমানো, যা করতে গিয়ে অসুস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা। সবনিয়ে দঙ্গল প্রথম থেকেই খবরে ছিল। তবে এবার ছবির ট্রেলার মুগ্ধ করেছে ফ্যানেদের। প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিল দ্বিগুণ।
MY FACEBOOK
MY YOUTUBE
দঙ্গলের ট্রেলারটা
Tuesday, October 11, 2016
মেঘলা দিনে,মেঘলাময় মনে, মেঘলা’কে বৃষ্টিস্নাত নিমন্ত্রন
বৃষ্টিস্নাত কদমফুলের উপর পরা বৃষ্টির ফোটার মতই ভিজে থাকোক তোমার কুয়াশাচ্ছন্ন মেঘাচুল।আর সে চুল বেয়ে নেমে আসুক অবাধ্য কিছু বৃষ্টির ফোটা তোমার ভেজা গোলাপী আাভাময় সারা শরীরে।
“অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার ধরে রাখার বিড়ম্বনা আর নেই” রবীন্দ্রনাধ ঠাকুর কি জানত অধিকার ফিরে পাওয়াটায় অনেক বড় পাওয়া।নতুন করে,নতুন ভাবে,নতুন গানের নতুন সুরে আবার তুমি বলবে-তুমি ভালো আছো ত..।তাতে থাকুক না নতুন করে পুরানো স্মতির বিড়ম্বনা,আপন করে ভাবার অধিকার থাকুক আর নাই থাকুক-তোমার সাগরের মত নীল চোখে তাকিয়ে থাকাটাই রইল আমার অধিকার আর পাওয়া।
রইল খোলা দুয়ার ঘরের আর আমার মনের।মেঘলা দিনে,মেঘলা মনে,মেঘলা তোমায় রইল আমার নিমন্ত্রন।তুমি এসো…….তুমি আসবে ত…..?
……..অতিথি
MY FACEBOOK
MY YOUTUBE CHANNEL
Saturday, October 1, 2016
Sunday, September 18, 2016
বাংলার সালমান খান ‘হিরো' আলম
হিরো আলমকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে ‘লিটল বিগ ফিল্মস'৷ ৫ সেপ্টেম্বর সেটি তাদের ফেসবুক পাতায় শেয়ার করা হয়৷ কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পুত্র নুহাশ হুমায়ূন এটি নির্মাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তথ্যচিত্রের ধারাবর্ণনা তিনি নিজেই দিয়েছেন৷ তথ্যচিত্রটি ফেসবুকে এখন পর্যন্ত দুই লক্ষ ৩৫ হাজারের বেশিবার দেখা হয়েছে৷ তথ্যচিত্রে হিরো আলমকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার প্রশংসা করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকেই৷ সুতরাং আপনিও দেখুন৷
FACEBOOK
YOUTUBE CHENNEL
Thursday, September 8, 2016
প্রাণীর হাতে আক্রান্ত হয়েছিল যে শহরগুলো
উটের আক্রমণে ডোকার নদী, অস্ট্রেলিয়া
অনেক আগে অস্ট্রেলিয়ার মরু অঞ্চলে চলাচলের জন্য উট ব্যবহার হয়ে আসছিল। কিন্তু পরবর্তীতে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতির ফলে উটগুলোর আর তেমন যতœ হয় না। তাই হয়ত ওরা ২০০৯ সালে এসে বিদ্রোহী হয়েছিল পানি পিপাসার জন্য। হঠাৎ করে হাজার হাজার উট এসে ডোকার নদী দখল করে নেয়। সরকার পরিস্থিতি শান্ত করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে কাজে লাগায় এবং সেসময় অনেক উট আহত হয়।
সাপের দখলে ইজিসু শহর, ঘানা
ঘানার ইজিসু শহরের দু’টি গ্রাম বিষধর কালো সাপের দখলে যায় এ বছরেরই এপ্রিল মাসে। জঙ্গলে ভরা গ্রামে ঢুকতে গেলেই দেখা মিলত হাজার রকমের সাপের। বাসার ভিতরে বিভিন্ন ঘরে ও বাথরুমে ঢুকলেও দেখা যায় সাপের বসবাস। স্থানীয় জনগণ একে ঈশ্বরের অভিশাপ বলে উল্লেখ করে বলেন, যুবক-যুবতীরা ঝোপ-ঝাড়ের আশেপাশেই অবৈধ শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হয়, তাই ঈশ্বর রাগ করে সাপ পাঠিয়ে দিয়েছেন।
ব্যাঙের আক্রমণ, যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের অকন্টো শহর ১৯৫২ সালে ব্যাঙের দখলে চলে যায়। কোটি কোটি ব্যাঙ এসে রাস্তাঘাট দখল করে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডাক শুরু করে। গাড়ি চলার সময় চাকার নিচে পড়ে পটাপট শব্দে হাজার হাজার ব্যাঙ মারাও যায়। শহরবাসীর অধিকাংশই শহর ছেড়ে চলে গেলে কর্তৃপক্ষ ব্যাঙ তাড়ানোর ব্যবস্থা করে।
MY YOUTUBE CHENNEL
Saturday, August 27, 2016
গাঁজা খেলে নাকি এই ভালো জিনিসটাও হয়!!!
গাঁজার উপর দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালিয়েছেন কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল গবেষক। তাদের গবেষণাতেই উঠে এসেছে এই তথ্য। গাঁজার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে আলো শনাক্তকরণ ক্ষমতা। মারিজুয়ানা বা গাঁজা বা ক্যানাবিস-এ রয়েছে ৫০০টি প্রাকৃতিক যৌগ। এরমধ্যে কমপক্ষে ৮৫টি যৌগ মিলে তৈরি করে ক্যানাবিনয়েডস। যারমধ্যে সবচেয়ে বেশি গুণসম্পন্ন হল THC বা টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল ও CBD বা ক্যানাবিনল।
YOUTUBE CHANNEL
Wednesday, August 17, 2016
“আমি ব্যাচলর,আমি গর্বিত ব্যাচলর”
আধুনিক যুগের ব্যাচলররা খুব প্রতাপ নিয়ে এই কিছুদিন আগেও বিচরন করেছে।হাতে গোনা কিছু বাড়িওয়ালা ছাড়া বাসাবাড়া দিতে কুন্ঠাবোদ করত না।আর যদি বাড়িওয়ালা বা প্রতিবেশির যদি একটা বা দুটো অবিবাহিত মেয়ে থাকে তাহলে এক্সাটা কিছু এডবান্টেজ অটো পাওয়া যেত।চাপাতি,চিনি,লবন হতে শুরু করে বুয়া না আসলে খাবারের ব্যাবস্তাও হয়ে যেত।যা বাড়িওয়ালারা দেখেও না দেখত।বাচলররা খুব গর্ব করে বলত ‘বাড়িওয়ালাদের বাড়ি একটা, আর ব্যাচলরদের বাড়ি হাজারটা।’ কিন্তু সমাজে ব্যাচলরদের আজকাল যে অবস্থা এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পর আর একটাকেও খুজেঁ পাওয়া যাবে না।হেয় হয়ে আমগাছ আর জামগাছ তলায় কতোদিন থাকবে ।এর ফলে লিভটুগেদারের পরিমান বেড়ে যাবে।অথবা মুসলমানি হওয়ার আগেই ছেলেরা বিয়ে করে ফেলবে।এতে জনসংখ্যার গনবিষ্ফোরন ঘটবে।আর ১৮+ বলে কোন সতর্কবাণী থাকবে না।থাকবেনা নতুন নতুন উটেরমতো চুলের স্টাইল,বাসার ছাদে গিয়ে দুপা মেলিয়ে চাঁদ মামার দিকে তাকিয়ে কেউ আর আকাশের দিকে বিড়ির ধুয়া ছারবেনা।বাসার ছাদ থেকে দাড়িয়ে দাড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে নিচের বাসার বাসিন্দার বেডরুমে গিয়ে আর পরবেনা সে লবনাক্ত পানি।রাস্তাঘাটে আর দেখা যাবে না দাড়িয়ে প্রস্রাব করার অদ্ভুদ সুন্দর সে চিত্র।মহল্লার দোখানটিতে দেখা যাবেনা চা সিগেরেট খেতে খেতে ইভটিচিং করা ছেলেটিকে।ফলে মেয়েরা সাজুগুজু করা বন্ধ করে দিবে।পাড়ার দোখানের ভিতর থেকে বসে বাড়িওয়ালাকে ভাই বলে ডেকে লুকিয়ে পরবেনা।আর সেই বাড়িওয়ালাকে সামনা সামনি পেলে সেই ছেলেটিই মাথা নত করে বলবে না ‘আংকেল কেমন আছেন,এ রেীদ্রে আপনি বাজার নিয়ে যাচ্ছেন,দেন আমার কাছে,আমিও বাসার দিকে যাচ্ছি।আর বাড়িওয়ালা গদগদ হয়ে বলবে ‘ইস ছেলেটা কত ভালো’।পাশের বাসা থেকে আসা রান্নাকরা সুস্বাদু খাবারের ঝাঝালো ঘ্রানে পেটে হাত দিয়ে আলু বর্তৃা আর পানি ডাল দিয়ে খেতে খেতে বিধাতাকে আর কেই বলবেনা “ইৃশ্বর থাকে ও ভদ্র পল্লীতে,ওখানে গেলে ওনাকে খুজিয়া পাওয়া যাইতে পারে”। মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাত পোহাবে না অথবা রাত তিনটার সময় রাস্তায় বের হয়ে প্রস্রাব দিয়ে ব্রেকআপ হওয়া প্রেমিকার নাম আর লিখবে না রাজপথে। এরকম হাজারটা ব্যাচলরের হাজার হাজার অদ্ভুদ সুন্দর পাগলাটে সব কীর্তিমান কর্মৃকান্ড আর ইতিহাসের পাতায় লেখা হবে না। আজ তাদের হাটতে চলতে বসতে কথা বলতে ভয়…মনে করে সরকার পাছার মধ্যে সিসিক্যামেরা স্থাপন করে রেখেছে।এর ফলে তারা কুনোব্যাঙয়ের মতো ঘরকুনো হয়ে পরছে।এখন একটা যুদ্ধ বাধলে তারা ঝাপিয়ে পরবেনা।শাহবাগ চত্তরে আর উন্মাদনা দেখা যাবে না।নীলক্ষেত থেকে নীল ছবি আনতে কেউ আর যাবে না।যাবেনা ধানমন্ডির ব্যাচলর পয়েন্টে।কুপোত কুপিতির মত জোড়া হয়ে বসবেনা রমনার পার্কে।হাতিরঝিলের পানিতে আর ভাসবেনা বৈচিত্রময় সাদা প্যাকেট। আর এভাবে আরও কিছুদিন চললে ভিনগ্রহের প্রাণি এলিয়েন ভেবে দুএকটা ব্যাচলরকে বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীরা খুজে বের করবে।আর প্রশ্ন করা হবে“ আপনার এ সাফল্যর পিছনে গোপন রহস্য কি?”। এরপর আরও কিছুদিন এভাবে চললে ডাইনেসর প্রানিদের মত কোন একসময় এ গ্রহে ব্যাচলর প্রজাতির প্রানির অস্তিস্থ ছিল কিনা তা নিয়ে গবেষনা করবে।খুজে বের করবে ব্যাচলরদের ফসিল। তাই ব্যাচলরদের অস্তিস্থ টিকিয়ে রাখতে হলে এখনিই সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে।বিবাহিতরা ব্যাচলরদের আনন্দ দৃ:খের কষ্ঠটা বুঝবেনা কারন তারা..ত বিয়ে করার সাথে সাথেই মারা গিয়েছে।একজন ব্যাচলরই বুঝতে পারে ব্যাচলরে মনের কথা।তাই আমাদের দাবি..যারা বিবাহিত ‘‘‘আবার তোরা ব্যাচলর হ’’’।আর আমরা ব্যাচলরা লাখো কন্ঠে আওয়াজ তুলি….“আমি ব্যাচলর,আমি গর্বিত ব্যাচলর”। ……………………অতিথি MY FACEBOOK YOUTUBE CHANNEL
Subscribe to:
Comments
(
Atom
)

