Thursday, December 24, 2015
নবীজি যেভাবে কাটাতেন চব্বিশ ঘণ্টা
পৃথিবী কাঁপানো বিখ্যাত সেই ব্যক্তির করুণ পরিণতি
এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায় মানব জীবন। ১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি। Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা’তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটিসহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে
শিক্ষকতায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউ জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।
তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিত গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে -Dr.Vashishtha Narayan Singh|
বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায় পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-
পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষকরে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন। এবার, একবার কল্পনা করে দেখুন মানুষের কীসের এতো অহঙ্কার, কীসের এতো গৌরব। এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়। আমি যা বলি আমার- আসলেই কি এসব কিছু আমার!
my facebook
youtube channel
Wednesday, December 23, 2015
“চিনচিনিয়ে বুকে ব্যাথা”
চিনচিনিয়ে বুকে ব্যাথা-নারীর জন্য ,এটা পুরুষপ্রজাতি প্রাণীদের সেই পুরানো রোগ। সেই আধিযুগ থেকে শুরু, আজ সভ্যযুগের পুরুষের চিনচিনিয়ে বুকে ব্যাথা করার ক্ষেত্রে কোনরুপ পরিবর্তন হয়নি তবে হয়েছে চিনচিনিয়ে বুকে ব্যাথার আধুনিকায়ন।
চিনচিনিয়ে বুকে ব্যাথা করাটা পুরুষের কথন থেকে শুরু সেটা গবেষনার বিষয় ।তবে যখন একটি ছোট্র ছেলে খেলার ছলে বুঝতে পারে পাশের বাড়ির তার সমবয়সি ছোট্র মেয়েটির
... See More
Top 50 Richest Man in Bangladesh in 2015
Saturday, December 12, 2015
পিপঁড়া , ফেসবুক ও আমরা
‘বিশাল সৈন্যবাহিনী দেখে পিপঁড়াদের দলপতি আরেক পিপড়াকে বলল সবাইকে খবর পাঠাও আর সতর্কৃ থাকার নির্দেশ দিলেন যে, ভূলেও যাতে এদের সামনে কেউ না পরে’।এটা আমার কাল্পনিক একটা গল্প।যেখানে পিপঁড়ারা কথা বলছে অপরের সাথে।যেটা হাস্যকর কারন পিপড়া আবার কথা বলে কিভাবে?
পবিত্র কোরআনের সূরা নামল্(বাংলা উচ্চারন)-এ বলা হয়েছে হযরত সোলায়মান
আ:)এর বিশাল সৈন্যবাহিনী দেখে এক পিপড়া বলল “তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর যেন সোলায়মান ও তার বাহিনী তাহাদের অজ্ঞাতসারে তোমাদিগকে পদতলে পিষিয়া না ফেলে” এটা কোন গল্প না।পবিত্র কোরআনের বাণী।তাহলে কোরআন শরীফে এসব রুপকথার গল্প কেন? পবিত্র কোরআনের কোন বাণীই কল্পকথা নয়।
আমরা সাধানত মানুষজাতীর পরে জ্বীন জাতিকে স্থান দিয়ে থাকি।জ্বীণ হল মানুষের মত আরেকটা জাতি যারা অদৃশ্য অবস্থায় থাকে আর শুধুমাত্র আল্লাহতায়ালার ইবাদত করে।কুরআনশরীফে তা বলা হয়েছে।অথচ কিছু কবিরাজ হুজুরেরা জ্বীনদের দিয়ে পুত্র সন্তান লাভ, লাউ চোর অথবা মোবাইল বা ল্যাপটপ চোর ধরার কাজে ব্যাবহার করে অথচ একটা সুই কেন হারিয়ে যাওয়া বিরাট হাতি বের করারও ক্ষমতা জ্বিনদের নেই।আমরা সেই সব হুজুরদের বিশ্বাস করি যাদের মসজিদ আর নামাজের সাথে ভালো যোগেযোগ নেই। ধার্মিক হুজুরেরা মলমপার্টির সাথে তুলনা করে এদের।জ্বীনদের বশ করানের সে যুগও নেই,সে মানুষও নেই।
আচার আচরনের দিক থেকে মানুষের সাথে যে প্রাণীটি সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি হল পিপড়া।তারা মানুষের মত কথা বলে,হাসে,কাঁদে।তারা আমাদের মত নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে সমাজবদ্ধভাবে।তাদেরও আছে বাজার,নেতা,শ্রমিক,ম্যানেজার বা অন্যান্যগুলো।সবচেয়ে অদ্ভুদ বিষয় হল তাদের যোগাযোগ ব্যাবস্তা মানুষের চেয়েও অনেক উন্নত অথচ তাদের মোবাইল, ফেসবুক,ভাইবার,মেচেন্জার নেই। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল তারা মৃত পিপড়াদের আমাদের মত কবর দেয়।বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে বন্ধুরা?বা বিশ্বাসই করেননি।কারন এটা আমি বলেছি।আর যদি কোন ক্লিন সেভ করা হুজুর জ্বিন ডেকে এনে বলত তাহলে সে অদৃশ্য বক্তার কথা চোখবুজে বিশ্বাস করে নিতেন।
টমাস প্রিস বিখ্যাত প্রানীবিজ্ঞানী, ১৮০০ শতকে যিনি পিপড়াদের উপর গবেষণা করতে গিয়ে অবাক করা এসব তথ্য পেয়েছে।যা তাকে পর নোবেল পুরষ্কার এনে দিয়েছে।এবার মনে হয় বিশ্বাস হচ্ছে বন্ধুরা।অথচ এ বিশ্ময়কর তথ্য ১৪০০শত বছর আগে কুরআন শরীফে বলা হয়েছে পিপড়াদের নিয়ে।
যোগাযোগ ব্যাবস্থায় আমরা মানুষেরা চরম ভার্চুয়াল হয়ে গেছি।ফেসবুকব,ভাইবার,মেছেন্জার বা অন্যান্য মাধ্যম ছাড়া আমরা অচল মনে করি।কিন্তু সত্যিই কি তাই? সরকার এগুলো সাময়িক বন্ধ করছেল এতে সরকারের মন্ডুপাত করছি আমরা।অথচ এগুলো ব্যাবহার না করার ফলে আমরা আমাদের মা,বাবা, পরিবার বা পরিচিতজনদের বেশি সময় দিতে পেরেছি ফেসবুকে পরে না থেকে।সবক্ষেত্রেই তাই হয়েছে।এতে ওদের সাথে মনের যোগাযোগটা বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুন।আর এটাই হল সবচেয়ে বড় যোগাযোগ।পিপড়ারা নিজেদের মথ্যে যোগাযোগ ব্যাবস্থায় তাই করে।তা্ই মানুষের থেকে এরা হাজারগুন উন্নত।গবেষনায় এও বলা হয়েছে যে মানুষ যে হারে ভার্চৃয়াল যোগাযোগ করছে এতে পিপঁড়াদের থেকেও হাজারগুন পিছিয়ে পরছি।অথচ আমরা শ্রে্ষ্টজাতি।
আমাদের ভার্চৃয়াল যোগাযোগ হবে আল্লাহতায়ালার সাথে ফেসবুক,ভাইবার,মেসেন্জার,টেংগো,ইমো্,স্কাইপ হবে নামাজ।নামাজের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সাথে কথা বলব,যোগাযোগের মূলকেন্দ্রস্থল হবে মসজিদ।আর তা না হলে জ্বিনজাতি আর পিপড়ার কাছে পরাজয়ের মত অন্যান্য সব ক্ষেত্রে আমরা মুসলমানরা পিছিয়ে পড়ব যা আজকের সময়ে প্রমাণিত হচ্ছে আরও হবে।
FACEBOOK
YOUTUBE CHANNEL
অতিথি
Wednesday, December 9, 2015
5 লোভনীয় ও আকর্ষণীয় অজানা পেশা!
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের কেরিয়ারের ধারণা পাল্টাচ্ছে। বিগতদিনে কেরিয়ারের কোনও অস্তিত্বই ছিল না, এখন তার জয়জয়কার। আবার অনেক পুরনো কেরিয়ার নতুন করে সাজছে। অনেকের অজানা আধুনিক পাঁচটি কেরিয়ারের কথা৷ যে পেশায় দাম দিন দিন বাড়ছে, সঙ্গে মিলছে মোটা অঙ্কের বেতন!
১. ট্রান্সলেটর
এখন গ্লোবালাইজেশনের যুগ। তাই এক ভাষার লেখা কিংবা কথা অন্য ভাষায় ভাষান্তর করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে নির্ভুলভাবে ভাষান্তর যারা করতে পারেন, তাদের অত্যন্ত ভালো চাহিদা রয়েছে। সহজে এই কাজটি শেখা যায় না। এজন্য প্রয়োজন হয় যথাযথ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার। বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, বিদেশি দূতাবাস, মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানে চাহিদা বাড়ছে ট্রান্সলেটরের।
২. বিজ্ঞাপন প্রফেশনাল
বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রির কদর দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় বিজ্ঞাপনের নানা কাজে জড়িত মানুষের চাহিদা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। শুধু টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়া নয়, অনলাইনসহ আরও নানা ক্ষেত্রে বাড়ছে বিজ্ঞাপন প্রফেশনালদের কদর। বিজ্ঞাপনের এই বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যারা প্রবেশ করবে, কিছুটা অভিজ্ঞ হলেই তাদের ভালো বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজ্ঞাপন প্রফেশনালদের কাজের জন্য মিডিয়া প্ল্যানিং অ্যান্ড বায়িং, প্রোডাকশন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ইভেন্টস অ্যান্ড অ্যাক্টিভেশন, চ্যানেল মার্কেটিং, রেডিও, পিআর ইত্যাদি ছাড়াও বহু ক্ষেত্র রয়েছে।
৩. অ্যাকচুয়ারি
বিমার ঝুঁকি বিষয়ে হিসাব করার কাজ করে এ পেশাজীবীরা। এই ধরনের ব্যক্তিরা মূলত তাদের অঙ্ক কষার দক্ষতা ব্যবহার করে সম্ভাব্যতা, ঝুঁকি ইত্যাদি নির্ণয় করে। তাদের নির্ণীত এই ঝুঁকির মাত্রা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে বিমার প্রিমিয়াম ও অন্য আর্থিক বিষয়গুলো নির্ণয় করে। এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণেও কাজে লাগে।
৪. আইটি প্রোগ্রামার
অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামার কম্পিউটারের অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণ ও সংশোধন করেন। তারা সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনের কোডগুলি লেখেন। এ কাজের জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও অন্য সফটওয়্যারগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানা থাকতে হবে। পাশাপাশি বিশ্লেষণী ও যুক্তি ক্ষমতা থাকা আবশ্যক। কাজ ঠিকঠাক শিখতে পারলে এই ক্ষেত্রে কাজ করে বিপুল অর্থ আয় করা সম্ভব।
৫. ভেটেরিনেরিয়ান
প্রাণীদের নানা রোগের চিকিৎসায় ভেটেরিনেরিয়ানরা কাজ করেন। এক্ষেত্রে চিকিৎসায় আপনাকে প্রাচীন ধ্যান-ধারণা নয়, আধুনিক নানা পদ্ধতির সমন্বয় করতে হবে। আর এই কাজে সাফল্য পেতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। সঠিকভাবে কাজটি আয়ত্ব করতে সক্ষম হলে, যে কেউ যথেষ্ট অর্থ আয় করতে পারবে। পাশাপাশি প্রাণীসেবা করার সাধ থাকলে তাও মিটিয়ে নিতে পারবেন।
Tuesday, December 8, 2015
গ্যাসের সমস্যা ওষুধ খেয়ে না কমিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে কমান
Monday, December 7, 2015
জানেন কি স্যার ডন ব্র্যাডম্যান তাঁর গোটা টেস্ট কেরিয়ারে মোট কতগুলো ছক্কা মেরেছেন?
ওয়েব ডেস্ক: স্যার ডন ব্র্যাডম্যান তাঁর টেস্ট কেরিয়ারে গড় রেখেছিলেন ৯৯.৯৪! শেষ ইনিংসে মাত্র ৪ রান করতে পারলেই তাঁর গড় ১০০ হতো! কিন্তু করতে পারেননি। শেষ ইনিংসে করেছিলেন ০।
টেস্ট কেরিয়ারে খেলেছিলেন ৫২ টি ম্যাচ। মাত্র ৮০ টি ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমেই করেছিলেন ৬৯৯৬ রান। আর সেঞ্চুরির সংখ্যা ছিল ২৯ টি। এগুলো তো সবাই জানেন। মানে খুবই চর্চিত বিষয়।
কিন্তু জানেন কি, স্যার ডন ব্র্যাডম্যান তাঁর গোটা টেস্ট কেরিয়ারে ঠিক কতগুলো ছক্কা মেরেছেন? উত্তরটা শুনলে একটু অবাকই হবেন। কারণ, স্যার ডন তাঁর ৫২ টি টেস্টে ব্যাট হাতে নেমে মেরেছিলেন মাত্র ৬ টা ছয়!
রান করেছেন প্রায় ১০০ গড় রেখে। কিন্তু এই যদি তাঁর ওভার বাউন্ডারির সংখ্যা হয়, তাহলে কি আজ পারতেন টি-২০ ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে? এই প্রশ্নটা যে থেকেই গেল।
YOUTUBE CHANNEL
Subscribe to:
Comments
(
Atom
)
