<span class='st_sharethis_large' displayText='ShareThis'> </span> <span class='st_facebook_large' displayText='Facebook'> </span> <span class='st_twitter_large' displayText='Tweet'> </span> <span class='st_linkedin_large' displayText='LinkedIn'> </span> <span class='st_pinterest_large' displayText='Pinterest'> </span> <span class='st_email_large' displayText='Email'> </span> Elias ahmed Chondon: জ্ঞীনীদের মজার সব ঘঠনা
Showing posts with label জ্ঞীনীদের মজার সব ঘঠনা. Show all posts
Showing posts with label জ্ঞীনীদের মজার সব ঘঠনা. Show all posts

Thursday, December 24, 2015

পৃথিবী কাঁপানো বিখ্যাত সেই ব্যক্তির করুণ পরিণতি


এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায় মানব জীবন। ১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি। Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা’তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটিসহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউ জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।
তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিত গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে -Dr.Vashishtha Narayan Singh| বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায় পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি- পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষকরে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন। এবার, একবার কল্পনা করে দেখুন মানুষের কীসের এতো অহঙ্কার, কীসের এতো গৌরব। এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়। আমি যা বলি আমার- আসলেই কি এসব কিছু আমার!
my facebook
youtube channel

Sunday, March 22, 2015

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং


পেনিসিলিনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন একদিন নিউইয়র্কের বালটিমোর হোটেলে প্রাতঃরাশ সারতে যাচ্ছিলেন। পথে কয়েকজন সাংবাদিক তার পথ আগলে দাঁড়াল। বললো- ‘মিঃ ফ্লেমিং, আপনি একজন বিখ্যাত আবিষ্কারক। দয়া করে বলবেন কি এ মুহূর্তে আপনি ঠিক কী ভাবছেন?’ রসিক ফ্লেমিং বললেন-‘আপনারা খুব ভালো একটি প্রশ্ন করেছেন। আমি এ মুহূর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে ভাবছিলাম।’
সাংবাদিকরা তার বক্তব্য নোট করার জন্য কাগজ-কলম বের করে বললেন-‘ঠিক আছে। আপনি বলুন। আমরা নোট করে নিচ্ছি।’ ফ্লেমিং বললেন-‘আমি ভাবছিলাম ব্রেকফাস্টে ক’টা ডিম খাব? একটি নাকি দুটি!’ চিত্রশিল্পী হুইসলারের খুবই আদরের একটা পোষা কুকুর ছিল।
একবার সে কুকুরের গলায় ঘা দেখা দেয়ায় হুইসলার সে সময়কার নামকরা গলার ডাক্তার ম্যাকেঞ্জিকে ডেকে আনলেন। ম্যাকেঞ্জি কুকুরের চিকিৎসা করতে হবে দেখে মনে মনে রেগে গেলেন। কিন্তু মুখে কিছু বললেন না। যথারীতি কয়েকটা ওষুধ লিখে দিয়ে ম্যাকেঞ্জি বিদায় নিলেন। পরেরদিন ম্যাকেঞ্জি হুইসলারকে তার চেম্বারে ডেকে পাঠালেন। হুইসলার ভাবলেন হয়তো তার কুকুরের ব্যাপারে ম্যাকেঞ্জি কথা বলার জন্য ডেকেছেন।
হুইসলার ফুরফুরে মেজাজেই ম্যাকেঞ্জির চেম্বারে গেলেন। ম্যাকেঞ্জি হুইসলারের কুশলাদি জিজ্ঞেস করার পর বললেন-‘আমার ঘরের সদর দরজার রঙটা একটু চটে গেছে। ওটা একটু রং করতে হবে। আর সেজন্যেই আপনাকে ডেকেছি!’
বিখ্যাত সুরকার রসিনির ফরাসি ভক্তরা তার একটা মূর্তি তৈরি করাচ্ছিল। সেটা জেনে রসিনি একদিন সেখানে গেলেন। মিস্ত্রিদেরকে জিজ্ঞেস করলেন-‘এ মূর্তিটা তৈরি করতে কত খরচ হবে?’ মিস্ত্রিদের জবাব-‘এই ধরুন একশ’ কোটি ফ্রাঁ।’ রসিক রসিনি তার ভক্তদের উদ্দেশে বললেন-‘তার চেয়ে পঞ্চাশ কোটি ফ্রাঁ দিলে আমি নিজেই মূর্তির জায়গাটায় মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে পারি!’